চরকেওয়ারের উত্তর-দক্ষিণ চরমশুরার রাস্তা ও সেতুর রেলিং ভাঙ্গা

3মোহাম্মদ সেলিম ও তুষার আহাম্মেদ:

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের উত্তর চরমশুরা ও দক্ষিণ চরমশুরা গ্রামের রাস্তা ও একাধিক সেতুর বেহাল দশা বিরাজ করছে। এ পথের রাস্তাটি কোনভাবে ভেঙ্গে পড়লে যে কোন সময় এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার আশংকা রয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার শেষ সীমান্তের রমজানবেগ গ্রাম হয়ে চরকেওয়ার ইউনিয়নের উত্তর-দক্ষিণের চরমশুরা গ্রামের এ পথ দিয়ে বর্ষার চরের নবনির্মিত সেতু পার হয়ে আধারা ইউনিয়নের জাজিরা গ্রামে যাওয়া যায়। কিন্তু শুরুর প্রথম পথের রমজানবেগেই রয়েছে রাস্তার খানাখন্দেতে ভরা।

4এখানটাতে রাস্তাটি ইউ সিস্টেমে। এরমধ্যে রাস্তার খানাখন্দের কারণে এখানে প্রতিদিনই কম বেশি দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা। এমনটিই জানিয়েছে এ পথের বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা। সব কিছু মিলিয়ে এ পথটি অনেকটাই বড় বলে অনেকেই মনে করছেন। এখানে রাস্তার পরিধি যেমন অনেক বড়।

আর সেই পথের বিভিন্ন রাস্তার অংশে এখন ভাঙ্গন দেখা যাচ্ছে। এ ভাঙ্গন এখুনি মেরামত করা না হলে যে কোন সময় এ পথের রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে অনেকই মনে করছেন। উত্তর চরমশুরা গ্রামের একটি অংশের কুয়েত গ্রামের রেলিং ভাঙ্গা সেতু পার হলেই পড়বে দক্ষিণ চরমশুরা গ্রাম।

এখানে একটি বড় সেতু রয়েছে। সেই সেতুর দুই পাশের বেশিরভাগ অংশের রেলিং বর্তমানে ভাঙ্গা রয়েছে। সেই গ্রামের পাশে রয়েছে একটি বড়সরো খাল। এই খালের পানি মেঘনা নদীতে প্রবাহিত হয়। এ খালের পারের পূর্ব অংশের রাস্তাটি বেশির ভাগ অংশই এখন ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এ খালের ভাঙ্গা অংশে গাইড দেয়াল নির্মাণ না করা হলে এ রাস্তার বেশির ভাগ অংশই যে কোন সময় খালে চলে যাবার আশংকা রয়েছে।

2জরুরী ভিত্তিতে এখানে মেরামতের কাজটি করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। তেমনটি এ পথে ছোট বড় মিলিয়ে একাধিক সেতু রয়েছে। আর সেতু গুলোর বেশিরভাগ রেলিং বর্তমানে ভাঙ্গাচুঙ্গা রয়েছে।

তাতে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। দক্ষিণ চরমশুরা গ্রামের কুয়েত গ্রামের পরের একাধিক সেতুর রেলিং বর্তমানে ভাঙ্গা রয়েছে। এ রেলিংগুলো বছরের পর বছর ধরেই ভাঙ্গা। মেরামতের কোন লক্ষনই দেখা যাচ্ছে না।

আবার এ পথে একটি সেতু রয়েছে এতোটাই সরু যে এ দিয়ে কোনভাবেই একটি রিক্সা পার হওয়াই দুস্কর। তারপরে এ সেতুর দুইধারে কোন রেলিংও নেই। এছাড়া এ সেতুর তলদেশের পাকা অংশের পেলেস্তার এখন খসে খসে পড়ে যাচ্ছে। এ সেতুতে যদি কোন বড় ধরণের যানবাহন পারাপারের চেস্টা করে তবে এটি ভেঙ্গে খালে পরে যাওয়ার আশংকা রয়েছে বলে এখানকার মানুষ মনে করছেন।

এ সেতুটি দক্ষিণের চরমশুরায় পড়েছে। আলীরটেক বাজারের পরে বর্ষারচরে যাওয়ার আগে এ সেতুটি বর্তমানে নিবু নিবু অবস্থানের জানান দিচ্ছেন। এর পরে রয়েছে একটি সদ্য নির্মিত বড়সরো একটি সেতু। এ সেতুর উত্তর অংশের এ্যাপোচের মাটি বর্তমানে সরে যাচ্ছে। এ সেতুর পশ্চিম দিকে খালের অংশ মাটি ভরাট করে ইতোমধ্যে গ্রামবাসী বসবাস শুরু করে দিয়েছে।

1সেই ক্ষেত্রে এ বিশাল সেতুর অর্থ এখন জলে যাবার যোগার হয়েছে। সেই হিসেবে এ সেতুর অংশের খাল দিয়ে কোনভাবেই জল প্রবাহ হচ্ছে না। তাতে সেতুর তলদেশে মাটি ভরাট হলেই এ সেতুটি আর কোনভাবেই কাজে আসবে না বলে এখানকার মানুষ মনে করছেন।

এ বিষয়ে চরকেওয়ার ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here