মুক্তারপুরে আট মামলার আসামী কিবরিয়ার অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যবসা জমজমাট

118872216_636822327241700_2129221151017445413_nবাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের জন্য ক্ষতিকর বিবেচনা করে ১৮ বছর আগে ২০০২ সালের সংশোধিত মৎস্য সংরক্ষণ আইনে কারেন্ট জাল উৎপাদন, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, সংরক্ষণ ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়।

কিন্তু বাস্তবে এই আইন যে মানা হচ্ছে না তা আরেকবার বোঝা গেল মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা থাকার পরও অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার খবরে। বিভিন্ন সময়ে

আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে কোটি কোটি মিটার কারেন্ট জব্দ করার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। কিন্তু মামলা দেওয়ার পরও অজানা কারণে অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবসা চালিয়ে আসছে অসাধু এই ব্যবসায়ীরা।

নৌ-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাবাড়ী এলাকায় একটি আয়রন মিল থেকে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। এই আয়রন মিলের মালিক পঞ্চসার ইউনিয়নের ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়ার। পুলিশ সূত্র জানায়,

বিভিন্ন সময়ে অভিযানে গোলাম কিবরিয়ার কয়েকটি অবৈধ কারেন্ট জাল তৈরীর কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল ও সুতার ববিন জব্দ করা হয়। ৮ টি মামলার পরও কিভাবে আইনের আওতায় না থেকে অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবসা চালিয়ে আসছে এমন প্রশ্ন

হরহামেশায় করছেন সুশীল সমাজের ব্যাক্তিবর্গ। মামলার বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ থানার ওসি মো. আনিচুর রহমান জানান, গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জ থানায় ৮ টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কারেন্ট জাল ব্যবসায় জড়িত থাকা, পুলিশের উপর হামলা সহ ৮ টি মামলা রয়েছে।

এর মধ্যে ৩ টি মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। পুলিশ এ বিষয়ে তৎপর রয়েছে। শুধু কিবরিয়াই নই অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবসায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সকলকেই আইনের আওতায় আসতে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here