রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদের বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জ আদালতে গ্রেফতারী পরোয়ানা

1নিজস্ব প্রতিবেদক: রিজেন্ট কেছিএস লি: এর চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে ৩ লক্ষ টাকার চেক জালিয়াতির অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সাহেদ এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যুর আদেশ দিয়েছেন ।

গত রবিবার মুন্সীগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালত ৪এ সিআর মামলা নং ১২৭/২০ দায়ের করেন বালু ব্যাবাসায়ী হুমায়ূন কবির। আদালতের বিচারক আরফাতুল রাকিব মামলাাটি আমলে নিয়ে এই গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দেন।

মামলার সুত্রে জানা গেছে, টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাহপুর এলাকার মৃত আবু বক্কর চোকদারের ছেলে মো. হুমাইন কবির ওরফে শোভন চোকদার দীর্ঘ দিন যাবৎ ঢাকার মিরপুর-১২ এলাকার সেকশন ১/এ রোড নং-১ হাউজ নং-৮ এর পিয়াংকা হাউজিংয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন।

ওই প্রতিষ্ঠানে সাহেদ বালু কিনতে গেলে হুমায়ূন কবির শোভন এর সাথে তার পরিচয় হয়। সাহেদ ওই বালূ ব্যাবসায়ীর কাছ হতে ১২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮ শত ১৬ টাকার বালু কিনে ওই ব্যাবসায়ীকে নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন। বাকী টাকা পরে দেওয়ার কথা বলে আসামী তার নিজ নামীয় প্রাইম বাংক এর অন লাইন শাখা হিসাব নং ০০১১১০০০০০২৬৮ এর ২ লক্ষ টাকার একটি চেক গত ৩ জুলাই ২০২০ ইং তারিখে পরে একই হিসাব নাম্বারের আরো একটি ১ লক্ষ টাকার চেক দেন।

পরে ওই বালু ব্যবসায়ী উক্ত চেক ২টির টাকা উত্তোলনের জন্য ব্যবসায়ীর নামের জনতা ব্যাংক টঙ্গীবাড়ী আব্দুল্লাহপুর শাখায় জমা দিলে সাহেদ এর একাউন্টে টাকা না থাকায় ডিস অনার করে ফেরত দেন। পরে ওই ব্যাবসায়ী মুন্সীগঞ্জ আদালতে চেক ডিস অনারের বিষয়ে মামলা করলে আদালত এ গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যুর আদেশ দেন। গত সোমবার মামলার বাদী শোভন চোকদার মুঠোফোনে জানান, প্রায় ১ বছর আগে সাহেদকে আমি ট্রাকে ভরে তার কথা মতো ৩টি প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে ১২ লক্ষ টাকার বালু দেই।

সে আমাকে নগদ ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং ৩ লক্ষ টাকার চেক দেয় এবং সেই সময় বাকি টাকা পরে দিবে বলে জানায়। এ ব্যাপারে বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট নিখিল চন্দ্র মল্লিক জানান, আসামী সাহেদ করিম আমার মোয়াক্কেল মো. হুমায়ুন কবির ওরফে শোভন চোকদারের নিকট হতে ১২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮ শত ১৬ টাকার বালু ক্রয় করে নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে বাকী টাকা নগদ না দিয়ে আসামী তার নিজ নামের ৩লক্ষ টাকার ২টি চেক দেয়।

পরে আমার মোয়াক্কেল তার নিজ নামের ব্যাংক হিসাবে জমা দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাহেদের একাউন্টে টাকা না থাকায় চেক ২টি ডিসঅনার করে ফেরত দেয়। পরে উকিল নোটিশ দিলেও আসামী টাকা ফেরত না দেওয়ায় রোববার আদালতে মামলা করি। আদালত সাহেদের প্রতি গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here