চরকেওয়ারে কাউয়ামারায় ইটের রাস্তা-গাইড ওয়াল নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

9মোহাম্মদ সেলিম ও তোফাজ্জ্বল হোসেন: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের কাউয়ামারা গ্রামের একমাত্র ইটের রাস্তাটি খানাখন্দে ভরা। চলমান বন্যার পানির তোড়ে এ রাস্তাটি বিভিন্ন অংশ বর্তমানে ভেঙ্গে গেছে। এর ফলে এ পথে চলাচলে এ গ্রামের মানুষেরা নানা রকমের অসুবিধার মধ্যে পড়েছে। বর্তমানে পায়ে হেটে এ গ্রামে যেতে হয়।

আগে এ পথে মিশুক কিংবা অটো নিয়ে এই এলাকার মানুষ বাড়িতে যেতো। কিন্তু এখন আর সেই পরিবেশ নেই। আগের মাটির কাঁচা রাস্তায় গত দুই বছর আগে বর্ষার সময়ে পানির চাপের মুখে এখানকার রাস্তায় ইট বিছানো হয়। বিছানো ইট কত নম্বেরের ছিল তা নিয়ে বর্তমানে প্রশ্ন উঠেছে।

কারণ হচ্ছে সেই বিছানো ইট বর্তমানে যে গুলো অবশিষ্ঠ আছে তা চলাচলের মানুষের চাপে ভেঙ্গে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইট বিছানো নির্মাণ কাজে বড় ধরণের অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছে। এ বিষয়টি সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

আর সেখানে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বৃষ্টির পানি জমে থাকে। এই ইটের রাস্তা যাতে ভেঙ্গে খালে পড়ে না যায় সেই জন্য এ পথের ইটের রাস্তার পাশাপশি রাস্তার পূর্বপাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু এ নির্মাণেও অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে বলে এখানকার মানুষ মনে করছেন।

কারণ বর্ষার সময়ে এখানে যখন গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হয় তখন খালের পাড়ে পানিতে টুবু টুবু ছিল। সেই সময়ে এর ঠিকাদার শুধুমাত্র পানির ওপরের অংশেই গাইড ওয়াল সিমেন্টের পিলার দিয়ে এখানকার নির্মাণ কাজ শেষ করেন। যার কারণে রাস্তার নিচের অংশের একটি বিশাল জায়গা খালি থেকে যায়। এর ফলে এবারের বন্যার পানির চাপে সেই খালি জায়গার মাটি সরে গেলে রাস্তাটি খালের মধ্যে পড়ে যায়।

10ঠিকাদারের খামখেয়ালির কারণে সরকারের বিপুল পরিমাণ টাকা বর্তমানে খালের পানিতে চলে গেল বলে এখানকার মানুষ মনে করছেন। এছাড়া সবস্থানে এই গাইড ওয়াল দেয়া হয়নি। তার ফলে নির্মিত রাস্তাটি হুমকির মুখে ছিল। এ রাস্তাটি মেঘনা নদীর কুল ঘেষে রয়েছে। নদীর পানি ও বন্যার পানি চাপ এ রাস্তায় এসে পড়েছে। এ পথের রাস্তা নির্মাণের বিষয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা করে ঐ সমস্যা গুলো হতে পারে এমন ভাবনা মাথায় রেখে এখানকার কাজে হাত দেয়া উচিত ছিল বলে অনেকেই মনে করছেন।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য এখানকার ওয়ার্ড মেম্বার মন্টুর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান যে সেখানে তিনি থাকেন না। তিনি মুন্সীগঞ্জ শহরের গোয়ালপাড়া থাকেন। আমরা যেন মুন্সীগঞ্জ এসে তার সাথে কথা বলি। এরপর তার সাথে যোগাযোগর চেষ্ঠা করা হলে তিনি আর তার মুঠোফোন রিসিভ করেননি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here