গজারিয়ায় ডাকাতির অপবাদে শিক্ষার্থীকে মারধর

PhotoPictureResizer_201026_102619288_crop_691x362গজারিয়া উপজেলায় যৌন হয়রানি ও ডাকাতির অপবাদ দিয়ে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে বাউশিয়া ইউনিয়ন ইউপি সদস্য মামুন। গত ২৪ অক্টোবর শনিবার রাতে বাউশিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মামুন মেম্বারের বাড়িতে এই ঘটনাটি ঘটে। ভূক্তভোগী দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তামিম হোসেন গজারিয়া উপজেলার চরবাউশিয়া বড়কান্দি গ্রামের আলম বেপারীর ছেলে।

ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী জানায়, ইউপি সদস্য মামুন মেম্বার এবং তার স্ত্রী নুসরাত জাহান মিতুসহ কয়েকজন মেম্বারের বাড়ির ৫ তলা ছাদের উপর বেঁধে তাকে মারধর করেছে। মামুন মেম্বারের শালী মেহরিনের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্কের কারণে মামুন মেম্বারের স্ত্রীর মোবাইলে বারবার মেসেজ দিয়ে আমাকে যেতে বলে। মেহরিনের বারবার মেসেজের কারণে আমি মামুন মেম্বারের বাড়ির নিচতলায় অপেক্ষামান অবস্থায় ২ জন যুবক আমাকে দেখে আটকে ফেলে।

তখন মামুন মেম্বার এবং মামুন মেম্বারের স্ত্রী ও ২ জন যুবক আমাকে ছাদের উপর নিয়ে বেঁধে ফেলে। বেঁধে ফেলার পর তারা আমাকে মারধর করে। আমাকে রড দিয়ে মেরে অজ্ঞান করে ফেলে। পরে জানতে পারি মামুন মেম্বারের শশুর আমাকে মেডিকেলে ভর্তি করেছেন।

ভূক্তভোগী তামিম হোসেন আরো জানায়, মামুন মেম্বারের স্ত্রীর মোবাইল এবং আমার মোবাইল তদন্ত করলে সঠিক ঘটনা বেরিয়ে আসবে। আমাকে তারা ডাকাত অপবাদ দিয়ে মারধর করে এবং টুকরা টুকরা করে বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মামুন জানায়, রাত সাড়ে ১১ টায় ঘুমিয়ে পড়ার অবস্থায় ভাতিজা সবুজ ও আলম চিৎকার করে বলে চাচা আপনার বাড়িতে ডাকাত ডুকেছে। আমি বাড়ির গেইট খুলে দেয়ায় অনেক লোক পাঁচতলার উপরে উঠেছে এবং ছাদের উপরে তামিম হোসেনকে একটা দাও একটা রামদা সাথে পেয়ে তারা তাকে মারধর করে। তার স্ত্রীর মোবাইল থেকে মেসেজ গেছে এই ঘটনাটি ইউপি সদস্য অস্বীকার করেছেন।

গজারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ মামুন জানান, উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মামলা রুজু করা হয় নাই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান প্রধান বিষয়টি মীমাংসার দায়িত্ব নিয়েছেন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here