পুনরায় নির্বাচিত হলে সার্বিক উন্নয়নসহ এলাকার অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করব: কাউন্সিলর সুলতান

8তোফাজ্জল হোসেন শিহাব: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হচ্ছে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা। মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডটি হচ্ছে উত্তর ইসলামপুর, নয়াপাড়া ও চর কিশোরগঞ্জ তথা মোল্লাপাড়ার তিনটি গ্রাম নিয়ে গঠিত। এই ওয়ার্ডের হাজার হাজার জনগণ দীর্ঘদিন যাবৎ অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত ছিলেন। প্রথম শ্রেণির পৌরসভার বাসিন্দা হয়েও যোগাযোগ ব্যবস্থা,  রাস্তাঘাট,  ড্রেন নির্মাণ,
পাকা ঘাটলা ও সেতুসহ সার্বিক উন্নয়নের ছোঁয়া খুব একটা লাগেনি বললেই চলে এখানে। কিন্তু বর্তমান সরকারের দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা এবং ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকান্ডের বাস্তবায়নের ফলে বদলে গেছে এসব এলাকার একাধিক চিত্র। যার সবটুকুতেই এই অসামান্য অবদান রেখেছেন বর্তমান মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনগণের শ্রদ্ধা ও আস্থাভাজন জন প্রতিনিধি সুলতান বেপারী। এখানে প্রতিটি এলাকার সাথে অন্য এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি সাধন ঘটেছে।
বর্তমানে আধুনিক শহর জীবনের সব দিক থেকে সুবিধা পাচ্ছেন এই ওয়ার্ডের লোকজন। দীর্ঘ দিন সুবিধা বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া এই ওয়ার্ডবাসীগণ এখন দেখছেন আলোর মুখ ও ব্যাপক উন্নয়ন। সেই সাথে ভোগ করছেন নানাবিদ সুযোগ ও সুবিধা।  মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডবাসীর যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১৫ সালে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী থাকা সত্বেও বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন জনগণের আস্থাভাজন জনপ্রতিনিধি’র নেতা সুলতান বেপারী।  তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
নিজের যোগ্যতা ও ক্ষমতায়নে এলাকাসহ পুরো ৭নং ওয়ার্ডের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। তার এই সততা,  ন্যায় পরায়ণতা, ও সত্যবাদীতা এবং আদর্শ ও যোগ্যতার কারণে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার পৌর পিতা হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব তাকে পৌর প্যানেল মেয়র হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেন। যার ফলো শ্রুতিতে ৭নং ওয়ার্ড ছাড়াও পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত ৯টি ওয়ার্ডেই তার কম বেশি উন্নয়ন কার্যক্রম রয়েছে।  তবে যার কথা একেবারেই না বল্লেই নয়,
যিনি মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নের কান্ডারী, পৌর পিতা হাজি মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব। যার উন্নয়ন ও  অবদানের কথা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হাজি মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লবের  বিকল্প কোন চিন্তাধারা নেই বললেই চলে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের  তথ্য অনুযায়ী মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার বহুমুখী উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে গেছে সবখানেই। ইউজিআইআইপি প্রকল্পের মাধ্যমে ৭নং ওয়ার্ডের প্রতিটি মহল্লায় কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের যেসব দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে তা হলো:
চর কিশোরগঞ্জ গ্রামে সুলতান বেপারীর দোকান থেকে নদীর পাড়ের আজিজ মিয়ার বাড়ী পর্যন্ত রিটেনিং ওয়ালসহ ১ কোটি ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৯ টাকা ব্যয়ে আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করা হয়। চর কিশোরগঞ্জ আরসিসি রাস্তার শেষ সীমানায় আমীর মোল্লার বাড়ি থেকে মহসিনের দোকান পর্যন্ত ৩২ লাখ ৩০ হাজার ৫৭৭ টাকা ব্যয়ে আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করা হয়।
উত্তর ইসলামপুর ফরাজি বাড়ীর ঘাটের নিকটে জাকির হোসেনের দোকান থেকে মোজাম্মেলের দোকান পর্যন্ত ২৩ লাখ ৫৫ হাজার ৯১৪ ব্যয়ে আরসিসি ড্রেনসহ রাস্তা নির্মাণ করা হয়। যোগিনীঘাট ব্রীজ থেকে মোল্লাচর মহসিন মিয়ার দোকান পর্যন্ত ৫ কোটি ৬০ লাখ ৪ হাজার ৮৫১ টাকা ব্যয়ে আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করা হয়। মুন্সীগঞ্জ পিটিআই মোড় থেকে ফরাজি বাড়ীঘাট পর্যন্ত ১৫ লাখ ৮০ হাজার ৪৯১ টাকা ব্যয়ে কার্পেটিং রাস্তা মেরামত কাজ শুরু হয়। যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।
মোল্লাচর কাসেম মিয়ার দোকান থেকে হাবিব মিয়ার বাড়ী পর্যন্ত ১ কোটি ২ লাখ ২৮ হাজার ৭০৩ টাকা ব্যয়ে বিক্স ড্রেনসহ সিসি রাস্তা নির্মাণসহ মোল্লাচর মেইন রোড থেকে মহিউদ্দিনের বাড়ী পর্যন্ত বিক্স ড্রেনসহ রাস্তা নির্মাণ করা হয়। পৌর পানি সাপ্লাই লাইনে ৬৩,০০০০০/ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এবং পানির পাম্প স্থাপনে ৫০,০০০০০ /  টাকা ব্যয়ে নির্মিত করা হয়।
স্থানীয়ভাবে একজন ন্যায় বিচারক হিসেবে সুলতান বেপারীর নাম সবার উর্ধে রয়েছে। তিনি তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে গেছেন নিষ্ঠার সাথে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে প্রতিটি দূর্যোগ ও দুর্বিপাকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এলাকাবাসীর সেবায় কাজ করে গেছেন নিরলসভাবে। ওয়ার্ডবাসীর যে কোন সংকটে নিজেকে সমর্পন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মেনে মানব কল্লানের মিশনই সুলতান বেপারীর একমাত্র ব্রত। সে কারণে দল মত নির্বিশেষে স্থানীয় নাগনিকদের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য জন প্রতিনিধি হিসেবে সুপরিচিতি লাভ করেছেন। বিশিষ্ট সমাজ সেবক, দানশীল, ন্যায়পরায়ন ও ন্যায় বিচারক সুলতান বেপারী অসহায়,  হত-দরিদ্র, মানুষেদের সাহায্য সহযোগিতা করে থাকেন।
দৈনিক মুন্সীগঞ্জের কাগজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তার দেশ ও মানব সেবার এই চিত্র ওঠে এসেছে। তিনি বলেন,  আগামি পৌর ওয়ার্ড নির্বাচনে যদি জনগণ আমাকে যোগ্য মনে করে নির্বাচিত করে তাহলে এলাকার প্রতিটি অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করে দিয়ে যাব। চর কিশোরগঞ্জ  মোল্লাপাড়া এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা,  যা স্বাধীনতার ৪৯ বছর পেরিয়ে গেলে ও আজ ও বাস্তবায়নের রূপ নেয় নি,
ধরেশ্বরীর শাখা কালীদাস নদীর  উপর দিয়ে সদরের সাথে সংযোগস্থল সেতু নির্মানের জন্য  অত্যাবশ্যকীয় যা যা করনীয় তা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ চেষ্টা চালিয়ে যাব।  ব্রীজ নির্মানের মধ্য দিয়ে এলাকাবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থার আরো আধুনিকায়ন সুনিশ্চিত করাই  আমার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
এছাড়াও তাদের দাবি দাওয়া যেসব ক্ষেত্রে অপূর্ণতা রয়েছে তাও পূরণের যথাযথ চেষ্টা করব। উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্যে সকলকে দল মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সবশেষে তিনি এলাকাবাসীর মঙ্গল কামনা করেন এবং বলেন,  তাই আসুন আমরা অন্যের সমালোচনা না করে এলাকা ও এলাকার মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করি। সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এলাকা আরো দ্রুত গতিতে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here