শ্রীনগরে উত্তর রাড়িখাল-আড়িয়ল বিলের রাস্তা পাকার জোর দাবি

135257540_1123594511420380_7452213057094045380_nশ্রীনগর থেকে দোহার যাওয়ার পথে রাড়িখাল মাদ্রাসার পূর্ব পাশ দিয়ে উত্তর দিকে যে রাস্তাটি আড়িয়ল বিলের দিকে চলে গেছে সেই কাঁচা ও ইটের রাস্তাটি অবহেলিত রাস্তা হিসেবে সকলের কাছে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। এ পথে চলাচলে রাস্তাটি খুবই প্রয়োজনীয় একটি রাস্তা। কিন্তু রাস্তাটি সংস্কার না করায় এ পথে বর্তমানে মানুষের চলাচল দুস্কর হয়ে পড়েছে। কাঁচা ও ইটের এ রাস্তাটিতে ইতোমধ্যে ইট অনেক জায়গাতেই উঠে গেছে। তাতে রাস্তাটি বর্তমানে বেহালা দশা বিরাজ করছে।

এদিকে এ রাস্তার দুই পার্শ্বে প্রচুর বাড়িঘর গড়ে উঠেছে। তাতে রাস্তার দুইদিকে হাজার হাজার লোকের বসবাস। আর এ রাস্তা দিয়ে উত্তর রাড়িখাল এবং আড়িয়ল বিলে যাওয়ার এক মাত্র প্রবেশ পথ হচ্ছে এটি। এই রাস্তার মাঝে মাঝে সাথে আরও শাখা রাস্তা ও সংযোজিত হয়েছে। শ্রীনগরের আনাচে কানাচে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে ইতোপূর্বে রাস্তাঘাটের কোন নাম নিশানা ছিলনা এমন জায়গায় ও নতুন নতুন রাস্তা করা হয়েছে। কিন্তু অনেক প্রাচীন এবং অতি পরিচিত এই রাস্তাটির কোন সংস্কার করা হচ্ছে না। এই একটি মাত্র রাস্তা দিয়ে এই এলাকার হাজার হাজার লোক প্রতিদিন চলাফেরা করছে।

এক সময়ে কাক ডাকা ভোরে আড়িয়ল বিলের ডাঙ্গায় কতো বড় বড় মাছ ঘোড়ার পিঠে করে এই রাস্তা দিয়েই দেশের দূর দূরান্তে নিয়ে যেতো জেলেরা বিক্রির উদ্দেশ্যে। তাতে এ সময়ে কাফেলায় বিশ পঁচিশটি করে ঘোড়া থাকতো। তাছাড়া আড়িয়ল বিলের যতো শষ্য উৎপাদন ও শষ্য উত্তোলনের দিন এ পথ দিয়ে মজুররা ও লোকজনরা আড়িয়ল বিলে আসা যাওয়া করে থাকে। এছাড়া অন্যান্য কাজে কর্মেও লোকজনরা আসা যাওয়া করে থাকে।

প্রচুর শিকারির দল পাখি শিকার করার জন্য এই পথ ধরে আড়িয়ল বিলে যাওয়া আসা করে। রাস্তাটির দৈর্ঘ্য আনুমানিক দুই কিলোমিটারের মতো। এ রাস্তাটি অনেকটাই সরু। তাই রাস্তাটি প্রশস্ত করা প্রয়োজন। রাস্তাটি ইট উঠিয়ে বর্তমানে পাকা করনের জোর দাবি তুলেছে এলাকাবাসী।

এই রাস্তার পাশেই বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি পাকিজা শাড়ি লুঙ্গি কোম্পানির বাড়ি রয়েছে। বর্তমান রাস্তাটিতে আনুমানিক ১৫ বছর আগে এখানে ইট বিছানো হয়েছে। কিন্তু এরপর আর কখনো এ রাস্তাটির সংস্কার করানো হয়নি। বর্তমানে এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে চলাচল অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পণ্যবাহি ছোট ছোট ট্রাক হলে যে কোন সময় এখানে অঘটন ঘটার সম্ভাবনার আশংকা করছে এলাকাবাসী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here