গজারিয়ায় দুই সাংবাদিকদের উপর হামলা॥ মেরে গুম করার হুমকি

mnews-groupগজারিয়া উপজেলার ঢাকা প্রতিদিন ও ভিশন বাংলাটিভির দুইজন সাংবাদিকের উপর বাপ বেটার হামলা এবং মোবাইল ও ঘড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এসময় বাপ বেটা ও অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫জন মিলে পারভেজ গাজী ও সুমন খানের উপর হামলা করে কিল, ঘুষি ও লাথি মারে মোবাইল ও ঘড়ি ছিনিয়ে নেয়।

এই মর্মে গজারিয়া থানায় সাংবাদিক পারভেজ গাজী বাদী হয়ে বাপ ও ছেলেসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রইছ উদ্দিন।

গজারিয়ার পুরান বাউশিয়ায় আদালতের রায়কে অবজ্ঞা করে কাউকে কিছু না বলে চুরি করে ৩০টি ফলজ গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগে ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে যান ভিশন বাংলা টিভির গজারিয়া উপজেলা প্রতিনিধি সুমন খান ও ঢাকা প্রতিদিনের প্রতিনিধি মামলার বাদী পারভেজ গাজী।

জজ মিয়ার অভিযোগের বিবাদী পক্ষ মো: শাহরিয়ার ও আব্দুল মতিন অর্থ্যৎ বাপ ছেলে মিলে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া দুইজন সাংবাদিকদের উপর হামলা করে। এ সময় ক্যামেরা ও মটর সাইকেলের চাবি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে এবং মেরে গুম করে ফেলারও হুমকি দেয় তারা।

তাদের হামলায় গুরুতর আহত হন সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া দুইজন সংবাদকর্মী। ভিশন বাংলা টিভির গজারিয়া উপজেলা প্রতিনিধি ও ঢাকা প্রতিদিনের প্রতিনিধি মামলার বাদী পারভেজ গাজী গুরুতর আহত হয়েছে।

তাদের কাছ থেকে মোবাইল ও ঘটি ছিনিয়ে নেয় আসামীপক্ষ। বাদী সংবাদকর্মী পারভেজ গাজী (২৮) ও সুমন খান জানান, শাহরিয়ার ও আবদুল মতিনসহ আরো ৪/৫ জন মিলে তার উপর ও অপর সাংবাদিক সুমন খানের উপর হামলা করে।

জজ মিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের ছবি তুলতে গেলে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার সময় তারা অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে এবঙ কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করে। এ সময় রেডমি ৫ প্রো যার আনুমানিক মুল্য ১৮হাজার টাকা ও স্মার্ট ঘড়ি যার মূল্য ৫ হাজর টাকা ছিনিয়ে নেয়।

স্থানীয় লোকজন এসে সাংবাদিকদের তাদের হামলার হাত থেকে রক্ষা করেন। আহত অবস্থায় বাদী পারভেজ গাজী ও সুমন খান উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

দুইজন সাংবাদিককে মেরে গুম করার হুমকি প্রদান করেন শাহরিয়ার। এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রইছন উদ্দিন জানান, অভিযোগের তদন্ত করেই দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here