পদ্মার ভাঙন: নদীর তীরের বসত হারানোর আতঙ্ক

received_4253619071391820মো. নাজির হোসেন
মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় পদ্মার তীরবর্তী এলাকা গুলোতে ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে উপজেলার চার ইউনিয়নের প্রায় বেশ কয়েকটি গ্রাম। উপজেলার হাসাইল-বানারী, দিঘীরপার, কামারখাড়া ও
পাঁচগাঁও ইউনিয়নে পদ্মার তীরবর্তী গ্রাম গুলোতে আতঙ্কে দিন কাটছে ওই এলাকার স্হানীয় জনগণ! এ ছাড়াও সদর উপজেলার শীলই, বাংলাবাজার ইউনিয়নে ভাঙন অব্যহত রয়েছে। হারিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি। হাহাকার বাড়ছে মানুষের।
আজ (২৮ আগস্ট) শনিবার সরজমিনে উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়ন এর চৌষার গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, আকস্মিক পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে বিলীন হয়ে গেছে প্রায় ২০ থেকে  টি পরিবারের ঘরবাড়ী সহ বসতভিটা।
কেউ কেউ ঘর বাড়ী ভেঙে নিরাপদ স্হানে সরিয়ে নিয়ে রাখছেন আর কিছু পরিবার এখনও আতঙ্ক নিয়েই বসবাস করছেন নদীর পাড়ে তাদের বসত ভিটায় ।
সেখানে গিয়ে আরও দেখা গেছে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জিওব্যাগ নদীতে ফেলেও কোন ভাবেই ভাঙ্গন রোধ করা যাচ্ছে না।
উপজেলার চৌষার গ্রামের আব্দুল শেখ (৬৫) জানান, কোন কিছু আন্দাজ করার আগেই রাতে হঠাৎ পদ্মা নদীর তিব্র ঘূর্ণিস্রোতের কারণে নদীতে ভাঙন দেখা দেয় এতে আমাদের ঘরবাড়ী ও বসতভিটা বিলীন হয়ে গেছে পদ্মায় ।
এতে পরিবার নিয়ে বিসম বিপাকে আছেন তিনিসহ স্হানীয় আরও কিছু পরিবার । খোলা আকাশের নিচেই বসবাস করছেন পরিবার পরিজন নিয়ে । কোথাও কোনো খালি জমি নেই ঘর বাড়ী ও তাদের বসবাস করার জন্য।
তিনি আরও বলেন, পরিবার নিয়ে বসত ভিটা হারিয়ে অনেক কস্টে দিন কাটাচ্ছি, এই মুহুর্তে আমি স্হানীয় ও প্রশাসনের কাছে খাদ্যসহ সকল প্রকার সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন জানান, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। এখন জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।   পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের নদী ভাঙন এর বিষয়টি জনানো হয়েছে। তারা পরিদর্শন করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here